
মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে ভারত সীমান্ত ঘেঁষা পাহাড় এলাকায় গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে পাহাড়ি জনপদ। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের অসহায় হতদরিদ্র, এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
এসব অসহায় ও রাস্তার ছিন্নমূল শীতার্তদের মধ্যে ঘুরে ঘুরে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ইউএনও মো. আশরাফুল আলম রাসেল।
৩রা জানুয়ারি পানবর, উপজেলা পরিষদ,তাওয়াকোচা, বাফার গোডাউনে শ্রমিকদের মাঝে ও গরুচরণ দুধনই এলাকায় প্রায় ১০০ টি কম্বল অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এতিমখানা ও মাদরাসা এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে তিনি।
জানা গেছে, শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ইউএনও মো. আশরাফুল রাসেল নিজে মাঠে নেমে পড়েছেন। তিনি সরাসরি এতিমখানা ও মাদরাসায় গিয়ে শিশুদের গায়ে কম্বল তুলে দিচ্ছেন। রাতের আঁধারে কনকনে ঠান্ডায় পাহাড়ের দুর্গম এলাকা, আদিবাসী পাড়া, পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল বিতরণ করছেন তিনি। রাস্তায় থাকা অসহায় মানুষদেরও বাদ দেননি তিনি। তার এই উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
ইউএনও মো. আশরাফুল আলম রাসেল প্রতিনিধিকে বলেন,‘শীতের কষ্ট সবাইকে একভাবে ভোগায় না। যারা বেশি অসহায়, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। একজন মানুষও যেন শীতে কষ্ট না পায়, সেই চেষ্টাই করছি।’