1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম আটক চুয়াডাঙ্গায় ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার: ধর্ষণের পর হত্যার সন্দেহ *মাদক তৈরির ২৫কেজি কাঁচামাল সহ যশোরে এক তরুণী গ্রেফতার*। হোয়াইক্যংয়ের কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ আইসিপিতে ২৩১.৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ১ ৫০০ টাকা না পেয়ে ভাবিকে হত্যা, দেবর গ্রেফতার গাজীপুরে বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭ উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযানে ১৩ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ একই পরিবারের ৪ জন আটক অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার প্রস্তুতি ঈদযাত্রায় এবারো ভোগান্তি বাড়াবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

গরিবের পেটে লাথি, প্রভাবশালীদের স্থাপনায় নীরব বন বিভাগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

কামরুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি:

উখিয়া–টেকনাফ সড়কের দুই পাশে বন বিভাগের জায়গা দখল করে বছরের পর বছর ধরে গড়ে উঠেছে দালান, ভাড়া বাসা ও বহুতল অট্টালিকা। উখিয়ার পাতাবাড়ি, হাজামপাড়া, কুতুপালংসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালীদের এসব অবৈধ স্থাপনা প্রকাশ্যেই দাঁড়িয়ে থাকলেও বন বিভাগের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ে না।

বিশেষ করে কুতুপালং বাজার এলাকার অধিকাংশ জমিই বন বিভাগের আওতাধীন বলে জানা গেলেও সেখানে উচ্ছেদ অভিযান প্রায় নেই বললেই চলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের স্থাপনায় হাত না দিয়ে উল্টো দরিদ্র কৃষকদের ওপর অভিযান চালানো হচ্ছে।

এমন বাস্তবতায় কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে ধোয়া পালং রেঞ্জের জুমের ছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শতাধিক পানের বরজ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব বরজ ছিল স্থানীয় দরিদ্র কৃষকদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। বছরের পর বছর ধরে ঘাম ঝরিয়ে, ধার-দেনা ও শেষ সম্বল দিয়ে তারা এসব পানের বরজ গড়ে তুলেছিলেন।

উচ্ছেদ অভিযানে মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায় কৃষকদের স্বপ্ন ও জীবিকা। অনেক পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, “বড় বড় দালান যাদের, তাদের কিছু হয় না। আমরা গরিব বলে আমাদের সব শেষ করে দেওয়া হলো।”

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—
বন রক্ষার নামে যদি অভিযানই চালাতে হয়, তাহলে তা কি সবার জন্য সমান হওয়া উচিত নয়? প্রভাবশালীদের অবৈধ দখল বহাল রেখে শুধুমাত্র গরিব কৃষকদের উচ্ছেদ কি ন্যায্য?

এ বিষয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

না হলে বন রক্ষার নামে এই একপেশে অভিযান সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর করবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট