
কেএম জহুরুল হক, ফুলছড়ি(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা–৫ (সাঘাটা–ফুলছড়ি) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব নাইদুজ্জামান নিশাদের নির্বাচনী বহরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) রাতে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া এলাকায় পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচনী প্রচারণা শেষে শান্তিপূর্ণভাবে ফেরার পথে হঠাৎ করেই প্রতিপক্ষের মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী নির্বাচনী বহর লক্ষ্য করে নির্বিচারে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে বহরের অন্তত সাতটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয় এবং বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। হামলার ধরন দেখে স্থানীয়রা একে পূর্বপরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, নির্বাচনী মাঠে গণজোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে প্রতিপক্ষ চক্র। জনপ্রিয়তার মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে তারা আবারও চেনা সন্ত্রাসী কৌশলে ফিরে গেছে। ভোটের মাঠে জনগণের রায়কে বাধাগ্রস্ত করতেই এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
নাইদুজ্জামান নিশাদের সমর্থকরা বলেন, এই হামলা শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়—এটি গণতন্ত্র, অবাধ নির্বাচন ও সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানানোর শামিল। প্রতিপক্ষের এই সন্ত্রাসী রাজনীতি প্রমাণ করে তারা জনগণের কাছে কতটা প্রত্যাখ্যাত।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব নাইদুজ্জামান নিশাদ কঠোর ভাষায় বলেন,
“আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে ভীত হয়ে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু ভয় দেখিয়ে, হামলা চালিয়ে জনগণের রায় দমিয়ে রাখা যাবে না। এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ ভোটারদের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও তারা জানান, সন্ত্রাস ও সহিংসতা নয়—ভোটের মাধ্যমেই তারা এর জবাব দেবেন।
এ ঘটনায় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত তদন্ত করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন তারা।