1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম আটক চুয়াডাঙ্গায় ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার: ধর্ষণের পর হত্যার সন্দেহ *মাদক তৈরির ২৫কেজি কাঁচামাল সহ যশোরে এক তরুণী গ্রেফতার*। হোয়াইক্যংয়ের কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ আইসিপিতে ২৩১.৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ১ ৫০০ টাকা না পেয়ে ভাবিকে হত্যা, দেবর গ্রেফতার গাজীপুরে বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭ উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযানে ১৩ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ একই পরিবারের ৪ জন আটক অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার প্রস্তুতি ঈদযাত্রায় এবারো ভোগান্তি বাড়াবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

উখিয়া–টেকনাফে মাদকের বিরুদ্ধে নীরব রাজনীতি, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

উখিয়া–টেকনাফ, কক্সবাজার,কামরুল ইসলাম:

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে মাদক পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী এই দুই উপজেলায় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলছেন না। বরং একটি প্রভাবশালী অংশ অভাবশালী ও প্রভাবহীন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে ইয়াবা কারবারকে পরোক্ষভাবে টিকিয়ে রাখছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই বিপদ। সাধারণ মানুষ কিংবা সচেতন নাগরিকরা কোনো অনিয়মের প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা কিংবা অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়, এমনকি বাস্তব ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে ভয়ের পরিবেশে অনেকেই নীরব থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এখানে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই নিজেকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, প্রতিবাদকারীদেরই আসামি বানানো হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, উখিয়া–টেকনাফের সীমান্ত পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে মাদক কারবারিরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ইয়াবা পাচারের রুট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাম সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা খুব কমই দেখা যায়।

সচেতন মহলের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই এই চক্র সক্রিয় রয়েছে। এতে করে সমাজে অপরাধের সংস্কৃতি বিস্তার লাভ করছে এবং যুবসমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—অভিযান থাকলে কেন একই এলাকায় বারবার একই অভিযোগ উঠে আসছে?
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, মাদকবিরোধী লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কেউই সামনে এসে কথা বলবে না। তাদের মতে, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাই এখন সময়ের দাবি।

উখিয়া ও টেকনাফের মানুষ চান—মাদকমুক্ত সীমান্ত, নিরাপদ সমাজ এবং এমন একটি পরিবেশ, যেখানে সত্য বলার জন্য কাউকে আর ভয় পেতে না হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট