1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​অ্যালবাট্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেডিকেল ক্যাম্পেইনঅনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অটো চালকদের অবরোধ নওগাঁয় ডিবির পৃথক অভিযানে আটক-২ কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নিশাদ, সাধারণ সম্পাদক নওশাদ ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে লাশ হয়ে ফিরল লিটন সৌদি আরবে ক্রমেই বাড়ছে বাংলাদেশী অবৈধ প্রবাসী কারন উদঘাটন আশুলিয়ায় ২ দিনের ব্যবধানে আবারো ডাকাতি  পলাশবাড়ীতে শর্টসার্কিটে দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে নিবার্হী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ। বাগেরহাটে স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের বার্ষিক পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত রামপালে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ সম্পন্নবালিকায় আদাঘাট ও বালকে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

লাশে কাঠ দিয়েছে কনস্টেবল জুয়েল, আগুন দিয়েছে মামুন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ের সময় ট্রাইব্যুনালের কাঠ গড়ায় উপস্থিত ছিলেন আটজন আসামি। রায়ে একে একে দণ্ড ঘোষণা করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় বিচলিত হয়ে পড়েন আসামিরা। মৃত্যুদণ্ডের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক। ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়া থেকে বের হওয়ার সময় উচ্চস্বরে তিনি বলেন, ‘এএসআই মনির আগুন দিয়েছে রাজসাক্ষী (এসআই শেখ আবজালুল হক) জড়িত ছিল। মিথ্যা মামলায় কেন সাজা দিল? যারা জড়িত, তাদের আনা হয়নি। আল্লাহ বিচার করবে। আমি আগুন দেইনি। আগুন দিয়েছে কনস্টেবল মামুন, আর কাঠ দিয়েছে কনস্টেবল জুয়েল। এ ছাড়া আগুন দেওয়া এএসআই মনিরকে সাক্ষী বানানো হয়েছে।’

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, দুজনের সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ক্ষমা পেয়েছেন রাজসাক্ষী আবজালুল হক। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতের পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া আবজালুল হককে ক্ষমা করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সাবেক এসআই আবদুল মালেক ছাড়াও রয়েছেন সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এ এফ এম সায়েদ রনি, আশুলিয়া থানার তৎকালীন এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহিদুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন ও সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট