1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে দুই হাজার রোজাদার নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় মানিকগঞ্জে গঙ্গা স্নান ও বারুণী মেলার বর্ণিল আয়োজন পটুয়াখালীর দুমকিতে নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন- সড়ক ও সেতু মন্ত্রী অভিনেতা শামস সুমন চলে গেলেন না ফেরার দেশে নওগাঁয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম আটক চুয়াডাঙ্গায় ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার: ধর্ষণের পর হত্যার সন্দেহ *মাদক তৈরির ২৫কেজি কাঁচামাল সহ যশোরে এক তরুণী গ্রেফতার*। হোয়াইক্যংয়ের কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ আইসিপিতে ২৩১.৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ১ ৫০০ টাকা না পেয়ে ভাবিকে হত্যা, দেবর গ্রেফতার

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উন্নয়ন ব্যয় সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামলেও ঋণের লাগাম টানা যায়নি। ১৪ মাসে দেশের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার মেগা প্রকল্প থেকে সরে এসে উন্নয়ন ব্যয় কমালেও রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আগের ঋণের কিস্তি পরিশোধ, পরিচালন ব্যয় এবং সীমিত রাজস্ব প্রবাহের কারণে নতুন করে ঋণ নিতে হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে গত অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক পরিসর সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং ঋণ ছাড়া সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে যায়।

সরকারি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক উৎস থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কিস্তি ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে ৩৪৪ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়, যেখানে আগের অর্থবছরে ছিল ২০০ কোটি ডলার।

১৪ মাসে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশের মোট ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা।

সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য যুক্ত হলে মোট ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যয়সংযম ছাড়া ঋণনির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট