1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​অ্যালবাট্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেডিকেল ক্যাম্পেইনঅনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অটো চালকদের অবরোধ নওগাঁয় ডিবির পৃথক অভিযানে আটক-২ কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নিশাদ, সাধারণ সম্পাদক নওশাদ ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে লাশ হয়ে ফিরল লিটন সৌদি আরবে ক্রমেই বাড়ছে বাংলাদেশী অবৈধ প্রবাসী কারন উদঘাটন আশুলিয়ায় ২ দিনের ব্যবধানে আবারো ডাকাতি  পলাশবাড়ীতে শর্টসার্কিটে দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে নিবার্হী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ। বাগেরহাটে স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের বার্ষিক পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত রামপালে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ সম্পন্নবালিকায় আদাঘাট ও বালকে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে ঋণ বেড়েছে ২.৬০ লাখ কোটি টাকা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উন্নয়ন ব্যয় সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামলেও ঋণের লাগাম টানা যায়নি। ১৪ মাসে দেশের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়-এর সর্বশেষ ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার মেগা প্রকল্প থেকে সরে এসে উন্নয়ন ব্যয় কমালেও রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আগের ঋণের কিস্তি পরিশোধ, পরিচালন ব্যয় এবং সীমিত রাজস্ব প্রবাহের কারণে নতুন করে ঋণ নিতে হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে গত অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে। ফলে সরকারের আর্থিক পরিসর সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং ঋণ ছাড়া সরকার পরিচালনা কঠিন হয়ে যায়।

সরকারি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ উৎসের তুলনায় বৈদেশিক উৎস থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কিস্তি ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে ৩৪৪ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়, যেখানে আগের অর্থবছরে ছিল ২০০ কোটি ডলার।

১৪ মাসে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় দেশের মোট ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা।

সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য যুক্ত হলে মোট ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যয়সংযম ছাড়া ঋণনির্ভরতা কমানো সম্ভব নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট