1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হ্নীলায় ৬৪ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও অসহায় জেলে পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঢাকার কেরানীগঞ্জে ভেজাল মিশিয়ে অবৈধভাবে পণ্য উৎপাদন করায় এক ব্যাক্তিকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানা সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ১ বাংলাদেশীসহ ৬ জন উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী পাচারকারী গ্রেফতার রামুতে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবা ও সিএনজিসহ গ্রেফতার ৩ পূবাইল বাজার স্কুলের সামনে পশুর হাট বসানোর প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীদের মানববন্ধন বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কক্সবাজার জেলা কমিটির অনুমোদন বালাসী ঘাটে ঝড়ে ভিজিএফের চালবোঝাই নৌকাডুবি, নদীতে তলিয়ে গেল ৪৬৭ বস্তা চাল ফুলছড়িতে মাদকাসক্ত যুবকের হামলায় ফুফু নিহত, মা ও চাচি আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি বিকৃত ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট: টেকনাফ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ

ওয়ান ইলেভেনের সময় তারেক রহমানের আলোচিত মামলায় জামিন ‘আইন মেনেই সিদ্ধান্ত’ দেন সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাঈম উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার, চুুয়াডাঙ্গা:

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের কৃতি সন্তান, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন ২০০৮ সালের বহুল আলোচিত তারেক জিয়ার এক জামিন শুনানিকে ঘিরে নিজের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তার ভাষায়, সেদিন যদি আইনের আলোকে দৃঢ় সিদ্ধান্ত না নিতাম, হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গড়াতো।

২০০৮ সালে আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর জামিন শুনানি নিয়ে আদালত কক্ষে ছিল উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ ও অদৃশ্য চাপ এমনটাই দাবি করেন তিনি। ওপরে থেকে বার্তা ছিল, কোনোভাবেই জামিন নয়। কিন্তু বিচারকের শপথ আমাকে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে, বলেন সাবেক এই বিচারপতি।

তিনি জানান, সহকর্মীদের মধ্যেও শঙ্কা ছিল। তবে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট জামিন পাওয়ার আইনগত অধিকার থাকলে বিচারক হিসেবে তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

২০০৪ সালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলার তদন্ত-সংক্রান্ত দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত ছিল। ওই ঘটনায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা-সহ বহু নেতাকর্মী আহত হন। তদন্ত চলাকালে রাজনৈতিক চাপের কথা উল্লেখ করে বিচারপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, একটি পক্ষ চেয়েছিল বিএনপি ও তারেক রহমানকে সরাসরি জড়াতে। কিন্তু আমি রাজনৈতিক পরিচয় নয়, প্রমাণকে প্রাধান্য দিয়েছি।

স্মৃতিচারণে তিনি বলেন, প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাকে বড় ছেলের মতো স্নেহ করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া একাধিকবার স্নেহভরে তাকে উৎসাহমূলক কথা বলেছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আদালতে আমি কখনো ব্যক্তি বা আবেগকে প্রাধান্য দিইনি,আইনই ছিল একমাত্র বিবেচ্য।

জামিন সিদ্ধান্তের পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় নিজেকে বঞ্চিত মনে করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন । জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও প্রধান বিচারপতি হওয়ার সুযোগ পাননি এমন অভিযোগ তুললেও তার বক্তব্যে ক্ষোভের চেয়ে দৃঢ়তাই বেশি। আমি যা করেছি, শপথ রক্ষার জন্যই করেছি, বলেন তিনি।

১৯৫২ সালে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন জয়নুল আবেদীন। পরে চুয়াডাঙ্গা ভি.জে. স্কুল থেকে ১৯৫৭ সালে এসএসসি উত্তীর্ণ হন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট