1. news@digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ
  2. info@www.digantasangbad.online : দৈনিক দিগন্ত সংবাদ :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় পুলিশ নিয়ে দুই চাঁদাবাজকে ধরলেন সালাউদ্দিন বাবু এমপি হোয়াইক্যং পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ-দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধের নির্দেশ——- এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল বুড়িগঙ্গায় অবৈধ বালি উত্তোলনে নদীতীরবর্তী ও ফসলি জমি ভাঙনের আশঙ্কায় নদীপাড়ের স্থানীয় বাসিন্দারা আলমডাঙ্গায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ১৭০ বোতল অ্যালকোহলসহ গ্রেফতার ২ ওয়ান ইলেভেনের সময় তারেক রহমানের আলোচিত মামলায় জামিন ‘আইন মেনেই সিদ্ধান্ত’ দেন সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীন দামুড়হুদায় মাদক সেবীদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদন্ড ও অর্থদন্ড ডিএনসির টাস্কফোর্সের অভিযানে মাদক ও নগদ অর্থসহ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ২ পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, সিনিয়র-জুনিয়র তুমুল সংঘর্ষ। পলাশবাড়ীতে মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ওয়ান ইলেভেনের সময় তারেক রহমানের আলোচিত মামলায় জামিন ‘আইন মেনেই সিদ্ধান্ত’ দেন সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাঈম উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার, চুুয়াডাঙ্গা:

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের কৃতি সন্তান, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন ২০০৮ সালের বহুল আলোচিত তারেক জিয়ার এক জামিন শুনানিকে ঘিরে নিজের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তার ভাষায়, সেদিন যদি আইনের আলোকে দৃঢ় সিদ্ধান্ত না নিতাম, হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গড়াতো।

২০০৮ সালে আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর জামিন শুনানি নিয়ে আদালত কক্ষে ছিল উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ ও অদৃশ্য চাপ এমনটাই দাবি করেন তিনি। ওপরে থেকে বার্তা ছিল, কোনোভাবেই জামিন নয়। কিন্তু বিচারকের শপথ আমাকে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে, বলেন সাবেক এই বিচারপতি।

তিনি জানান, সহকর্মীদের মধ্যেও শঙ্কা ছিল। তবে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট জামিন পাওয়ার আইনগত অধিকার থাকলে বিচারক হিসেবে তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

২০০৪ সালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলার তদন্ত-সংক্রান্ত দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত ছিল। ওই ঘটনায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা-সহ বহু নেতাকর্মী আহত হন। তদন্ত চলাকালে রাজনৈতিক চাপের কথা উল্লেখ করে বিচারপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, একটি পক্ষ চেয়েছিল বিএনপি ও তারেক রহমানকে সরাসরি জড়াতে। কিন্তু আমি রাজনৈতিক পরিচয় নয়, প্রমাণকে প্রাধান্য দিয়েছি।

স্মৃতিচারণে তিনি বলেন, প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাকে বড় ছেলের মতো স্নেহ করতেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া একাধিকবার স্নেহভরে তাকে উৎসাহমূলক কথা বলেছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আদালতে আমি কখনো ব্যক্তি বা আবেগকে প্রাধান্য দিইনি,আইনই ছিল একমাত্র বিবেচ্য।

জামিন সিদ্ধান্তের পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় নিজেকে বঞ্চিত মনে করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন । জ্যেষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও প্রধান বিচারপতি হওয়ার সুযোগ পাননি এমন অভিযোগ তুললেও তার বক্তব্যে ক্ষোভের চেয়ে দৃঢ়তাই বেশি। আমি যা করেছি, শপথ রক্ষার জন্যই করেছি, বলেন তিনি।

১৯৫২ সালে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন জয়নুল আবেদীন। পরে চুয়াডাঙ্গা ভি.জে. স্কুল থেকে ১৯৫৭ সালে এসএসসি উত্তীর্ণ হন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট